নতুন দিনেই নতুন চাহিদা ও নতুন দৃষ্টিভঙ্গির জন্ম দেয়, অভিনেতাঃ রাসেল মিয়া

0
105
নতুন দিনেই নতুন চাহিদা ও নতুন দৃষ্টিভঙ্গির জন্ম দেয়
নতুন দিনেই নতুন চাহিদা ও নতুন দৃষ্টিভঙ্গির জন্ম দেয়

সামাজিক মাধ্যমের জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব রাসেল মিয়া বলেছেন, রেডিও, টিভি বা সিনেমা নয়, ফেসবুকের মাধ্যমেই আমি আজ রাসেল মিয়া।

সাম্প্রতিক সময়ে ডেইলি সিলেট ২৪ ডটকম কে মোবাইল ফোনে এ কথা বলে জানিয়েছেন বিস্তারিত।

রাসেল মিয়া সামাজিক মাধ্যমের একটি জনপ্রিয় নাম। তরুণ নাট্যকার, চলচ্চিত্র পরিচালক ও অভিনেতা। ‌’সংশোধন চলচ্চিত্র’র ব্যানারে জীবন ও সমাজের নানা অসঙ্গতিগুলো শৈল্পিক উপস্থাপনার মাধ্যমে তুলে ধরার প্রয়াস পান রাসেল মিয়া।
শুধু অন্ন ও বস্ত্র দিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ালেই যে মানুষ উপকৃত হবে, তা কিন্তু নয়। ভিডিও চিত্রের মাধ্যমেও মানুষের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব। এভাবেও সমাজ সেবায় এগিয়ে আসা যায়। ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় রাসেল মিয়ার জন্ম। ছোটবেলায় চরম ঝোঁক ছিল মিডিয়া জগতে ঢোকার। কিন্তু নানা ব্যস্ততায় তা পরিপূর্ণতা পায়নি। সফলতার সঙ্গে দীর্ঘদিন নাটক নিয়ে থাকার পাশাপাশি পরিপূর্ণ বয়সে এসেই চিন্তা করলেন ভিডিও চিত্রের

মাধ্যমে সমাজে কিছু করা যায় কীনা। তাই দক্ষতার আলোকেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ থিম নিয়ে নির্মাণ করেন স্বল্প দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। নির্মাণ কর্মসূচির আওতায় ব্যবহার হচ্ছে, মুক্তিযোদ্ধা পেইজ, জসিম উদ্দিন ফেনী বাংলাদেশ পেইজ, রেডিও স্বদেশ.নেট পেইজ, এটিএন বাংলা পেইজ, জীবনে কি আছে আর তুমি ছাড়া পেইজ ও রেডিও প্রবাসী পেইজ। এসব পেইজ ছাড়াও আরও অনেকগুলো পেইজ তিনিই তৈরি করে অনলাইনে বেশ সাড়া ফেলেছেন এবং লাইক, কমেন্টস, শেয়ার ও ভিউয়ারে এগিয়ে রয়েছে ‘সংশোধন’ স্বল্প দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। তথ্য ও অনুসন্ধানের ভিত্তিতে এখন পর্যন্ত ভিউয়ারে এগিয়ে রয়েছে রাসেল মিয়ার স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র সংশোধন।

তার ছোট ছোট ভিডিওগুলোকে বলা যায় জীবনের খন্ড চিত্র। এ পর্যন্ত ১২৮টি স্বল্পদৈর্ঘ চলচ্চিত্র নির্মাণ করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। এগুলোর চিত্রনাট্য রচনা ও পরিচালনা, প্রযোজনা সবই তিনি নিজেই করেছেন। সবগুলোতে প্রধান চরিত্রের ভূমিকায় অভিনয়ও করেছেন। তার নাটক/চলচ্চিত্রের বিষয়গুলো খুবই জীবনঘনিষ্ট এবং তার অভিনয়ও খুবই প্রাণবন্ত। তার চলচ্চিত্র প্রায় সবই প্রকাশ পেয়েছে ইউটিউব ও ফেসবুকে। যার কারণে সামাজিক মাধ্যমের কল্যাণে তিনি দেশে ও বিদেশে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে খুবই জনপ্রিয়।

ব্যক্তিগতভাবে রাসেল মিয়া একজন খুবই অমায়িক, ভদ্র ও নিরহংকারি মানুষ। তিনি দাবী করেন, বাণিজ্য নয়, দেশ, মাটি ও মানুষের প্রতি একটা দায়বদ্ধতা থেকেই তিনি ভিডিও তৈরি করেন। তিনি বলেন, আমি রাসেল মিয়া ইউটিউবে বাণিজ্য করার জন্য ভিডিও তৈরি করি না, ভিডিও তৈরি করি মানুষের কল্যানের জন্য।

সরাসরি আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে এই লিঙ্কে প্রবেশ করুন

সম্প্রতি তিনি আবারও আলোচনায় আসেন, আরেকটি শোকার্ত ভিডিওর মাধ্যমে। ভিডিওতে দেখানো হয়েছে, তিনি তার হারানো বাবাকে ফিরে পেয়েছেন ঢাকার বায়তুল মোকাররমের ৪নং ফুটপাতে। মানসিক ভারসাম্যহীন পরিস্থিতি ছিল। অবশেষে ঢাকা জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল শেরে-ই বাংলা নগর ঢাকায় ১০ এপ্রিল অবজারভেশনে রাখার পর ১১ই এপ্রিল রাসেল মিয়ার পিতা সেকান্দর আলীকে ভর্তি করানো হয়।রাসেল মিয়ার কাছে তাহার পিতার সম্পর্কে জানতে চাইলে উওরে তিনি বলেন করোনা ভাইরাসের এই পরিস্থিতিটা থেকে মহান আল্লাহ্ আমাদের আগে মুক্ত করে দেওক তার পরে যদি বেঁচে থাকি আমি আপনাদের সকলের সামনেই আমার বাবার জীবনের ইতিহাসটা তুলে ধরবো।

বিনোদন জগতে কেন আসলেন, এই প্রশ্নের জবাবে রাসেল মিয়া বলেন, আমি চাই কিছু ভাল কাজ করে মানুষের মাঝে বেঁচে থাকতে। আর আমার দৃষ্টিতে এ জন্য বিনোদন হচ্ছে সবচেয়ে উপযোগি ও শক্তিশালী মাধ্যম।এর মাধ্যমে আমি নিজেকে সাজাতে (আর্থিকভাবে) না পারলেও মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। আমি রাসেল মিয়া মাত্র দুই বছরে বাংলাদেশে এবং সারা বিশ্বে জায়গা করে নিয়েছি।

রাসেল মিয়া জানান, শত ব্যস্ততার পরও গ্রামের সাথে তার গভীর যোগাযোগ রয়েছে।তিনি বলেন, গ্রাম আমাদের অস্তিত্বের শিকড়। গ্রামের প্রতি আমি একটা দায়বদ্ধতা অনুভব করি। আমাদের প্রতি গ্রামবাসীদেরও একটা অধিকার বা হক রয়েছে। সেই হক আদায়ে কারোই কার্পণ্য করা উচিত নয়।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের ফেইসবুক বাটনে ক্লিক করুন ।ধন্যবাদ পাশে থাকার জন্য।

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে