সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার গ্রামে গ্রামে বাড়ছে করোনা ঝুঁকি

11
3767
corona effect Sunamganj

সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশও করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। বর্তমানে করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশের সকল কল কারখানা মিল ফ্যাক্টরি গুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এসব বড় বড় মিল ফ্যাক্টরি গুলো শহর বন্দরে  অবস্থিত। গ্রামের মানুষগুলো জীবিকা নির্বাহের জন্য শহরমুখী হয়।

বর্তমানে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার কারণে, সরকারের নির্দেশনা এই মিল ফ্যাক্টরি গুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

ফলে, কর্মস্থলের মানুষগুলো সারি বেঁধে ফিরছেন গ্রামে গ্রামে। আর তাতেই ঘঠছে বিপত্তি। শহরে ফেরত নিম্নআয়ের মানুষগুলো গ্রামে অবাধ বিচরণ করছে। কোনরকম সরকারি নির্দেশনা মানছেন না। হোম কোয়ারেন্টাইন না মেনে অবাধে চলাফেরা করছেন তারা। স্থানীয়দের থেকে জানা যায় যে, তারা তাদের আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে বেড়াচ্ছেন। ফলে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে আছে সুনামগঞ্জ। গ্রামে গ্রামে বাড়ছে করোনা ভাইরাস এর ঝুঁকি। (আইডিসিআর) এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি করোনা শনাক্ত হয়েছে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ জেলায়। ঢাকা নারায়ণগঞ্জ থেকে গত সাত দিনে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন যেমন, ধনপুর, দক্ষিণ বাদাঘাট, সালুকাবাদ, পলাশ, ফতেপুর এই সকল ইউনিয়নে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ এসেছেন।

বৈশ্বিক মহামারি ‘করুনা’ যুদ্ধে ডাঃ মঈন উদ্দীন’র মৃত্যু

অনেক গ্রাম থেকে স্থানীয় লোকদের সহায়তায় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ফেরত মানুষগুলোর তথ্য বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার কন্ট্রোলরুমে জানালে কার্যকর কোনো ভূমিকা দায়িত্বশীলদের দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন বিশ্বম্ভরপুর এর বাসিন্দারা। বিশ্বম্ভরপুরের মতো আরও ১১ উপজেলার চিত্র প্রায় একই। তাদের নমুনা সংগ্রহ করার বিষয়ে তেমন গুরুত্ব নেই বললেই চলে। যা সুনামগঞ্জের জন্য ক্ষতির অন্যতম কারণ হতে পারে।

আরো সংবাদ পেতে ওয়েবসাইট ভিজিট করুন- https ://dailysylhet24.com

11 মন্তব্য

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে