হিরো আলমকে বাদ দেওয়ায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জনতা

1
349

হিরো আলমকে বাদ দেওয়ায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জনতা

সিনেমা থেকে হিরো আলমকে বাদ দেওয়ার কারণ হিসেবে অনন্ত বলেছিলেন, ‘সম্প্রতি হিরো আলমের কিছু অশ্লীল ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সকলেই আবারো আমাকে নিষেধ করছেন তাকে নিয়ে সিনেমা বানানোর। সবসময় আমি বিব্রত হচ্ছি, হিরো আলমের এসব বিতর্কিত বিষয়গুলোর জন্য।’

এ বিষয়ে হিরো আলম বলেন, হিরো আলম বলেন, মাঝখানে একদিন এফডিসিতে সাংবাদিকদের অনন্ত ভাই বললেন যে, ‘হিরো আলমের বিরুদ্ধে অনেকেই অনেক কথা বলেছে, কিন্তু আমি এগুলোতে কান দেই না।’ প্রশ্ন করে হিরো আলম বলেন- তাহলে আজকে কী এমন হলো, যা শুনে আমাকে বাদ দিলেন তিনি

এদিকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জনতা নিম্নে একাংশ নিম্নে তুলে ধরা হলোঃ-

১/হিরো আলম কে অনন্ত জলিল ব্যাবহার করছে ভাইরাল হতে,হিরো আলম সহজ সরল মানুষ তাই ওদের চক্রান্তে ফেঁসে গেছো,তুমি তোমার মত করে সামনে এগিয়ে যাও হিরো ভাই, god blessed

২/আপনার যদি টাকা না থাকতো আর আপনি যদি নিজের ছবি নিজে টাকা খরচ না করতেন তাহলে মনে হয় না আপনি নায়ক হতে পারতেন। আপনার চেয়ে অনেক অনেক ভালো গুনী নায়ক আছে বাংলাদেশে।হিরু আলম কে আশা দেওয়া ঠিক হয় নাই। আবার টাকার কথা এখানে বলতেছেন এটা ত আপনার হাইড করা দরকার ছিলো।

৩/আমারও তাই মনে হয় হিরো আলমের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে। আসলে অসহায়রা উঠতে পারেনা মূল সমস্যা এখানেই?! যাইহোক অনন্ত জলিল ভাইয়ের প্রতি একটা রিকোয়েস্ট থাকবে আপনি পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন — এবং হিরো আলম ভাইকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন ভুল না হয় একটু করে ফেলেছে …. আমি চাই হিরো আলমকে নিয়ে যেন কেউ হাসি-ঠাট্টা না করে –

৪/তাহলে মিশা সওদাগর, ডিপজল,ডন,শিবা শানু এদেরকে ছবি থেকে বয়কট করা উচিত। এরা কি ছবিতে খারাপ কিছু করে নাই। এভাবে কাউকে ডেকে এনে অপমান না করাই শ্রেয়(আমি হিরো আলমের ভক্ত নই)।আর টাকার কথা বললেন আজ টাকা আছে কালকে আপনি রাস্তার ফকির হইতে পারেন।অহংকারের কিন্তু একদিন পতন হবেই মনে রাখিয়েন।

৫/আপনি মানুষের কথা শোনা ঠিক হয় নাই কিন্তু আপনি একটি ছবি করে বাংলাদেশের মানুষকে দেখিয়ে দিতেন কিন্তু খুব দুঃখ পেলাম মানুষের জন্য মানুষ। কথাটা আপনি বলছিলেন তুইতো জাহেদ খান কে খুশি করতে গিয়ে হিরো আলম কে বাদ দেওয়া টা মেনে নিতে পারিনি কিন্তু আপনাকে আমি অনেক ভালবাসি কিন্তু হিরো আলমকে বাদ দেওয়াটা ঠিক হয় নাই হিরো আলম গরিব মানুষ আপনার ভরসা পেয়ে অনেক খুশি হয়েছিল ছেলেটা অনেক দুঃখ পেয়েছে ওকে বাই

ডেইলি সিলেটঃ– যেহেতু ওরে নেওয়ার ব্যাপারে কথা দিয়েছেন, এবং সাইনিং মানি দিয়েছেন, সেহেতু, কারু কান কথা না শুনে আরেকটু ভেবেই ডিসিশন নিলে হয়তো ভাল হত।

কবি জীবনানন্দ দাশের মা কুসুমকুমারী দাশ উনি একটা কবিতা লিখল আমাদের দেশে সেই ছেলে হবে কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে এখন বর্তমানে আমাদের দেশের হিরো আলম কথায় বড় না হয়ে কাজে বড় হল আর আপনি সেই হিরো আলমের কাছে হেরে গেলেন অনন্ত জলিল সাহেব।

আপনি বলেচিলেন, হিরো আলম কে নিয়ে যে যাই বলুক আপনি কান দিবেন না,লোকের কথা শুনবেন না।হিরো আলমকে বাদ দেওয়া টা ঠিক হয়নাই আপনার,আপনি কথা দিয়েছিলেন তাকে। বিতর্কিত আপনারা তৈরি করেছেন।আর জাহিদ খান কে

আপনারা সবই পারেন কে বলেছে আপনাকে হিরো আলমকে নিয়ে ছবি বানাতে আবার হিরো আলম কে বাদ দিতে আসলে আপনারা সবই পারেন সমাজের উচু মানুষ আপনারাই টাকার আহংকারে আপনারা আরো যে কতো কিছু করবেন। কাজটা আপনি মোটেই ভালো করেননি, আসলে আপনি আপনার ইউটিউবের ভিউয়ারস বাড়ানোর জন্য এটা করেছেন।

চলচ্চিত্র জগতে বিতর্কিত না কে..? হাতে গোনা দুই একজন বাদে চলচ্চিত্র ভালো কে..? আজকে যাঁরাই চলচ্চিত্র জগতে প্রতিষ্ঠিত তারা সকলেই একসময় ফালতু মার্কা ছবিতে কাজ করে এই পর্যায়ে এসেছে, আর অশ্লীলতার কথা বলতে গেলে তো চলচ্চিত্র জগতের কাউকে বাদ দিতে গেলে দূরবীন লাগাতে হবে।

অমিত হাসানের অনেক অস্লীল গান ইউটিউবে পাওয়া যায়! কই উনিতো এখন আপনাদের প্রথম শ্রেনীর অভিনেতা!
নাটক করে স্বস্তা জনপ্রিয়তা পাওয়া যায় কিন্তু তা হয় স্বল্পকালীন! আপনার ২ দিন আগের পোষ্ট দেখুন আর আজকের পোষ্ট দেখুন!

এ ভাবে হিরো আলম কে নিয়ে ছেলে খেলা আপনার ঠিক হয়নি।যত দূর জানি আপনি ভালো মনের মানুষ এটা কিশের পরিচয় দিলেন?এই খেলা আপনাকে দিয়ে আশা করি নাই।
আসলে আপনি তাদের দলে যতই ভালো সাজেন না কেন আপনার মুখোশ খুলে গেছে।
হিরো আলম কে ব্যাবহার করে ভাইরাল হওয়াই ছিল আপনার উদ্দেশ্য এবং ভাইরাল হয়েছেন।
আপনার বোঝা উচিত ছিল হিরো আলম ও একজন মানুষ।

একটি ছোট গল্প শেয়ার করিঃ-
ক্লাসে এসে বাংলার উপর লেকচার দিচ্ছেন, আর আমাদের একটা গল্প সেয়ার করেছিল। গল্পটা হলঃ-ওনি বলেন যেমন, চারটা পাত্রে কাঁকড়া রাখা আছে, ১ নাম্বার পাত্রে আমেরিকান কাঁকড়া , ২ নাম্বার পাত্রে আস্ট্রেলিয়ান কাঁকড়া,৩ নাম্বার পাত্রে ইংলেন্ডি কাঁকড়া, এবং ৪ নাম্বার শেষ পাত্রে বাংলাদেশি কাঁকড়া রাখা আছে।
কিছুক্ষন পর তিনি ১ নাম্বার পাত্রটা লক্ষ্য করলেন, একটা কাঁকড়া একটার উপর উঠে পাত্রের বাহিরে চলে যাচ্ছে।
২ নাম্বার পাত্রটা দিকে লক্ষ্য করলেন এটা ও একটার উপর একটা উঠে পাত্রের বাহিরে চলে যাচ্ছে এবং ৩ নাম্বার পাত্রটাতে দেখলে সেটা ও একই। এবার ৪ নাম্বার শেষ পাত্রটা দেখলেন কিন্তু এখানে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র, একটা কাঁকড়া একটার উপর উঠলে আর একটা টেনে ধরে নিচে নামিয়ে ফেলে,
আমরা তো মেড ইন বাংলাদেশি, এটায় আমাদের কালচার। আমরা বাংলাদেশিরা কাউকে উপর উঠেতে দেখলে ভাললাগেনা।

আরো পড়ুনঃ-

পাব্লিসিটি স্ট্যাণ্ডের নামে আমার নাম আর কতোদিন বেচবে?

সানাই মাহবুব ডাক্তার সাবরিনা
সানাই মাহবুব ছবিঃ সংগৃহীত

করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ এর নমুনা সংগ্রহ রিপোর্ট নিয়ে জাতিয়াতি মামলায় গ্রেফতার হয়ে রিমান্ডে রয়েছেন অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান জেকেজির চেয়্যারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী।

ডা. সাবরিনা কারাগারে থাকলেও তাকে নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে নানা তথ্য। দেশের বিতর্কিত অভিনেত্রী সানাইয়ের একটি আপত্তিকর সাক্ষাৎকারের কণ্ঠ ও ডা. সাবরিনার ফুটেজ দিয়েও তৈরি করা হয়েছে ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও। (সূত্রঃ সময় নিউজ টিভি)

পাব্লিসিটি স্ট্যাণ্ডের নামে আমার নাম আর কতোদিন বেচবে?

এদিকে সানাই মাহবুব চটেছেন, এরকম সংবাদ প্রকাশ নিয়ে সাংবাদিকদের ও সময় নিউজ এর উপর তীব্র সমালোচনা করেছেন।

ইতিপূর্বে ,তার বিয়ে নিয়ে অনেক গুঞ্জন গণমাধ্যমে সংবাদের শিরোনাম হন। সানাই কে নিয়ে বেশকিছু সংবাদও প্রকাশ করা হয়। সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদ প্রকাশ নিয়েও বেশ ক্ষেপেছেন সানাই মাহবুব। তিনি অভিযোগ করেন তাকে নিয়ে একেকবার একেক সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে অনলাইন পোর্টালগুলোতে।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে ক্ষেপে গিয়ে বলেন, আমার ব্যক্তিগত জীবন আছে। সেলিব্রেটি বলে আপনারা যা ইচ্ছা তাই করবেন, তা হবে না। আজকের পর থেকে যারা আমার নামে আমার কমেন্টস ছাড়া নিউজ করবেন তাদের নামে মানহানির মাললাসহ দুটো মাললা করবো। আর যদি একটা উল্টাপাল্টা নিউজ দেখি তাহলে মামলা করবো। আমি হিউমান রাইটসে মামলা করবো।

সানাই ডেইলি সিলেট 24 নিউজকে বলেন, ‘সাংবাদিকদের আমি সম্মান করি। তারা আমার ভাই-বন্ধু। তাদের কাছে সব ধরনের সহযোগিতা সবসময় পাই।

প্রসঙ্গ, সাংবাদিকদের বলা হয় জাতির বিবেক, আর সংবাদপত্রকে বলা হয় জীবনের প্রতিচ্ছবি। অন্যদিকে বিবেক থাকার কারণেই মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। কতেক সংবাদপত্র বা পোর্টালের জন্য আজকে সকল সংবাদপত্রকে মানুষের মনে বিরূপ ধারণা জন্ম নিচ্ছে।

পাব্লিসিটি স্ট্যাণ্ডের নামে আমার নাম আর কতোদিন বেচবে?

যেকোন নিষিদ্ধ বিষয়ের প্রতি মানুষের আকর্ষণ চিরন্তন। তাই প্রশ্ন, নগ্নতা কেন্দ্রিক সংবাদ পরিবেশনের সুযোগে নিষিদ্ধ বিষয়কে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে আমাদের গণমাধ্যম কি সঠিক জায়গায় আছে?

ইদানীং অনলাইনে বা প্রিন্টিং সংস্করণের পত্রিকাগুলো পড়লে মন খারাপ হয়ে যায়। বেশিরভাগ সংবাদপত্র খারাপ সংবাদে ভর্তি। ইতিবাচক সংবাদ খুব কমই উঠে আসে। এসব মন খারাপের খবরের ফাঁকে মানুষের চিরন্তন এক আকর্ষণের নাম বিনোদন। ছোট বড় সকলেই বিনোদন পাতায় অল্প সময়ের জন্য হলেও ঢুঁ মারেন। কেউবা ছবি দেখে আবার কেউ ফিচার পড়ে আনন্দ পায়। এই বিনোদন বিভাগ দেখলে ইদানিং আমার মন আরও বেশি পরিমাণে খারাপ হয়ে যায়। কারণ, বিনোদন বিভাগে ‘অমুক নায়িকার সেক্স টেপ নিয়ে অনলাইন সরগরম’ টাইপ সংবাদ হয় জাতীয় নিউজ। অর্থাৎ নায়িকা, গায়িকা কিংবা খ্যাত-অখ্যাত মডেলরা কোন সময়, কিভাবে, কোন ছবিতে বা ফটোশ্যুটে নগ্ন হলেন বা নগ্নতা নিয়ে তাদের চিন্তা-ভাবনা যুক্ত নিউজগুলোই প্রাধান্য পায়।

সানাই মাহবুব
ফাইল ছবি

আইসিটি আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে–

(১ উপ-ধারা): কোনো ব্যক্তি যদি ওয়েবসাইটে বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যাহা মিথ্যা ও অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় পড়িলে, দেখিলে বা শুনিলে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হইতে উদ্বুদ্ধ হইতে পারেন অথবা যাদের দ্বারা মানহানি ঘটে, আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করতে পারে বা এ ধরনের তথ্যাদি কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে প্রদান করা হয়, তাহলে তাহার এই কার্য হইবে একটি অপরাধ৷

(২)কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১)-এর অধীন অপরাধ করিলে তিনি অনধিক চৌদ্দ বছর এবং ন্যূনতম সাত বৎসর কারাদণ্ডে এবং অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। ৩২ ধারা ছাড়াও তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার বিষয়গুলো নতুন ডিজিটাল আইনের খসড়ার ১৯ ধারায় প্রায় একইভাবে রাখা হয়েছে৷ তাতে বলা হয়েছে–

(১) কোনো ব্যক্তি যদি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেক্ট্রনিক বিন্যাসে দণ্ডবিধি ( ১৮৬০ সালের ৪৫ নম্বর আইন)-এর ৪৯৯ ধারা মতে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মানহানি ঘটায়, তাহলে এটি হবে অপরাধ৷

অপরাধের শিকার হলে কিংবা ফেঁসে গেলে
কোনো কারণে আপনি যদি সাইবার অপরাধের শিকার হন, তাহলে আপনার নজরে আসা মাত্রই আপনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে বিষয়টি অবগত করে রাখতে পারেন। প্রয়োজনে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে রাখতে পারেন। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনেও (বিটিআরসি) লিখিতভাবে জানিয়ে রাখতে পারেন। এতে করে কেউ আপনাকে মিথ্যাভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা করলে আপনি কিছুটা সুরক্ষা পেতে পারেন। আপনি যদি সাইবার অপরাধের গুরুতর শিকার হন এবং প্রতিকার পেতে চান, তাহলে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (সংশোধিত ২০১৩)-এর আশ্রয় নিতে পারেন। এ আইনের আওতায় থানায় এজাহার দায়ের করতে পারেন। আপনার ওয়েবসাইট কেউ হ্যাক করলে, ফেসবুক বা অন্য যেকোনো মাধ্যম হ্যাক হলে এবং আপনার ব্যক্তিগত তথ্য কেউ চুরি করলে কিংবা অন্য কোনো অপরাধের শিকার হলে দেরি না করে কাছের থানায় জানিয়ে রাখা উচিত।

সূত্রঃ আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

সরাসরি আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন

1 মন্তব্য

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে