হিরো আলম হলেন প্রচন্ড আত্মবিশ্বাসী, হার না মানা, স্বঘোষিত নায়ক

2
2254
হিরো আলম সাম্প্রতিক খবর
ফাইল ছবি

হিরো আলম হলেন প্রচন্ড আত্মবিশ্বাসী, হার না মানা, স্বঘোষিত নায়ক।

যিনি নায়ক হওয়ার স্বপ্ন লালন করেছেন এবং নায়ক হওয়ার জন্য নূন্যতম যোগ্যতা না থাকার পরে ও নিজের খরচে শর্ট ফ্লিম বানিয়ে ইউটিউব সেলিব্রেটি হয়েছেন।

সে একজন সফল মানুষ। কে বা কারা ট্রল- মজা করল, হাসি ঠাট্টায় তাকে অবহেলা করল তাতে কিছুই তার আসে যায় না। সব বাধা অতিক্রম করে সে জীবনে যা হতে চেয়েছে হয়েছে, একজন অভিনেতা।

হিরো আলমের সাথে এই কথাটা বেশ ভালভাবেই যায়। হতদরিদ্র অবস্থা থেকে আজকের এই হিরো আলম শুধু স্বপ্ন দেখেছিলেন বলেই আসতে পেরেছেন।

তাকে বিভিন্ন ভাবে আমরা ট্রল করি, উপহাস করি, তার গ্রাম্য টান নিয়ে হাসাহাসি করি কিন্তু ভাবিনা আমরা একজন মানুষকে কিসের ভিত্তিতে বিচার করছি।

আমর মনে হয় হিরো আলমরা ঠিকই আছে এই আমরাই বিকারগ্রস্থ।

মানুষটা সাহস দেখিয়েছেন সংসদে যাওয়ার, মানুষটা সাহস দেখিয়েছেন প্রতিবাদী হবার। যা কিনা আমাদের অনেক তথা কথিত সুশীলদের মাঝে নেই৷

আমি দেখেছিলা অসংখ্য ট্রল হাসাহাসি নির্বাচনের সময়, সাংবাদিকরা টিভিতে ডেকে এনে তাকে অপমান করছে কেবল মাত্র তিনি নোমিনিশন কিনেছিলেন বলে! এত অপমান এত ট্রল তারপর এই লোক কি সুন্দরভাবেই সব সামলেছেন! তার কাছ থেকে শিখার অনেক কিছুই আছে।

আমি মনে করি একটা ডিগ্রি, আর বইয়ের কয়েকটা পাতা পড়াই শিক্ষিত আর অশিক্ষিত মানুষের মাপকাঠি হতে পারে না।

মানুষ সুশিক্ষিত হয় তার অভিজ্ঞতা থেকে আর জীবন থেকে। আর বই লিখার জন্য জীবনের গল্পই আসল। যার কাছে বলার মত গল্প আছে সে বই লিখতেই পারে আপনি চাইলে পড়বেন না চাইলে নাই। কিন্তু সে লিখতে পারবে না সেটা বলার অধিকার আমার আপনার কারোই নেই।

বিঃদ্রঃ তার কুরুচিপূর্ণ কিছু ইউটিউব ভিডিও আছে যেগুলা গ্রহনযোগ্য নয়। তবু আমরা গঠনমূলক সমালোচনা করেছি কে কবে?

আমরা সবাই হিরো আলমকে নিয়ে ট্রল করি । কিন্তু এটাও ঠিক যে এই ভদ্রলোক কোনো বড়লোক বা জমিদার পরিবার থেকে আসেনি । বহু কষ্টের মধ্যেও তিনি টিকেছিলেন । ওনার জীবনে বেঁচে থাকা এবং আজকের অবস্থানে আসার কথা উনি আমাদেরকে জানাচ্ছেন বই লিখে । তার নিজের কথা জানানোর জন্য তাকে অনেক বড় জ্ঞানী মানুষ হতে হবে এই কথা আমি বিশ্বাস করি না । যারা বলবে তার বই লেখার জ্ঞান নাই তাদেরকে বলবো এই মানুষটার জীবনে বেঁচে থাকার জ্ঞান আছে আর সেইটাই আমাদেরকে তিনি জানাচ্ছেন ।

কোন সহযোগীতা ছাড়া, যার দুবেলা ভাত খাওয়ার পয়সা ছিল না, যে পরিস্কার করে কথা পর্যন্ত বলতে পারে না, চেহারা তো অনেক দূরের কথা,, সম্পুর্ণ নিজের চেষ্টায় এমন সেলিব্রেটি হওয়া — আশ্চর্যের বটে। দারিদ্রে.র কারণে ক্লাস সেভেন এর পর পড়াশুনা করতে পারে নি।

আমার যে জিনিসটা সবচে’ ভালো লেগেছে, হিরো আলাম আজকাল সমাজসেবামূলক কাজ করছেন। যেমন শীত বস্ত্র বিতরণ, গরীরদের টাকা দিয়ে সহায়তা। এমন কাজ বাংলাদেশের অনেক কোটিপতি লোকেও করেনি। শিক্ষনীয়।

গত জাতীয় নির্বাচনে হিরো আলম এম পি – মেম্বার অফ পার্লামেন্ট হওয়ার জন্যে লড়ে হেরেছেন। তার মতে এরকম হার তার জীবনে অনেক এসেছে, বার বার চেষ্টা করেই তিনি আজ এত জনপ্রিয় হয়েছেন। এমন হারে সে মোটেও বিচলিত নয়।

হিরো আলমের উদ্দেশ্যে কিছু কথাঃ-

আমাদের জীবনে সফল হতে গেলে কিছু কিছু কথা আমাদের মন থেকে ঝেড়ে ফেলতে হবে সেই কথাগুলো কি ?

প্রথমেই বলে নেই আপনাকে অতীতের সব ব্যর্থতা অথবা কোন খারাপ কিছু যেটা আপনাকে কোন কাজ করতে গেলে কনফিডেন্ট লেভেল কমিয়ে ফেলে সেগুলো ঝেড়ে ফেলতে হবে ।

দ্বিতীয়ত আপনাকে আপনার কাজের প্রতি ফোকাস রাখতে হবে এবং আপনাকে নিদিষ্ট একটা দিকে ফোকাস রাখতে হবে ।

তৃতীয়ত আপনার হোর্টার্সরা কি বলল অথবা অন্য কেউ কি বলল বা কি বাজে মন্তব্য করল এদিকে কখনই নজর দিবেন না সয়ং আমাদের নবীরও হের্টার্স ছিল।

চতুর্থত আপনার সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস রাখুন দেখবেন অনেক জটিল বিষয় অনেক সহজ হয়ে গেছে ।

পঞ্চমত অবশ্যই সৎ থাকবেন মানুষে উপকার করবেন আপনার জায়গা থেকে ।

আরো পড়ুন

“হিরো আলম” বর্তমান সময়ের একজন জনপ্রিয় অভিনেতা। ইতিমধ্যেই অভিনয়  জায়গা করে নিয়েছে হাজারো মানুষের মনে। সময়ের সাথে সাথে তার অগ্রযাত্রা পথ সুগম হচ্ছে।

সাম্প্রতিক সময়ে ডেইলি সিলেট ২৪ ডটকম কে মোবাইল ফোনে এ কথা বলে জানিয়েছেন বিস্তারিত।

গতবছর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত হয়েছিলো আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের জীবনী বিষয়ক গ্রন্থ ‘দৃষ্টিভঙ্গি বদলান আমরা সমাজকে বদলে দেবো।’

হিরো আলমের লেখা বইটি অনলাইন বিপণন প্রতিষ্ঠান রকমারি ডটকমে পাওয়া যাবে।

বইটির প্রকাশক ও সম্পাদনাকারী সৌরভ আলম সাবিদ বলেন, হিরো আলমের জীবন থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়ার মতো অনেক বিষয় রয়েছে, যা এই বইয়ে উঠে এসেছে। এটি পুরোপুরি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ নয়, বইয়ের অনেকাংশই উদ্দীপনামূলক। পাঠকের নিকট এটি সমাদৃত হবে।

এ বিষয়ে আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম বলেন, ‘আমার বইটি কেউ কিনবে নাকি না কিনবে সেটা বড় কথা না। তবে আমি সকলকে অনুরোধ করব বইটি একবার হলেও পড়া উচিত, না কিনলেও অন্তত খুলে পড়ে দেখবেন। আমাকে নিয়ে সবাই অনেক হাসি ঠাট্টা করেন ট্রল করেন কিন্তু পর্দার ওপারে হিরো আলমকে কয়জন চেনেন?’

তিনি বলেন,  আমার জীবনটা কতটুকু কষ্টের মধ্যে পার হয়েছে এবং কতটুকু পরিশ্রমের মাধ্যমে আমি হিরো আলম হয়েছি সেটা শুধু আমি জানি। আমার পর্দার পেছনের ঘটনাগুলো জানলে হয়ত আপনারা আমাকে নিয়ে ট্রল করতেন না, বরং আমাকে উৎসাহ দিতেন। যাই হোক এখনো সময় আছে আপনারা যদি দৃষ্টিভঙ্গি না বদলান তাহলে আমাদের সমাজ এবং দেশ কখনোই বদলাবে না। আমি হিরো আলম হয়ত মারা যাবো কিন্তু আমার লেখা বইটি থেকে যাবে এবং একদিন না একদিন আমার এই লেখাগুলো আপনাদেরকে কাঁদাবে কথা দিলাম।’

প্রশ্নঃ বর্তমান সময়ে আপনি অনেক সমালোচিতও আলোচিত এর প্রভাব আপনার বাস্তব জীবনে কেমন পড়ছে?

 

হিরো আলমঃ দেখেন সমালোচিত বলেন আর আলোচিত বলেন এ দুটো কিন্তু আমার পিছু ছাড়ছে না। এজন্য গত কয়েকদিন যাবত আমি সামাজিক যোগাযোগ থেকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন ছিলাম। এগুলো আমি নিতে পারছিলাম না। কিন্তু এখন মনকে শক্ত করেছে এটাই ভেবে যে আসলে সমালোচিত কারা হয় যারা এক বা একাধিক ভাবে সামনের দিকে অগ্রসর হতে যাওয়া আর একদল আছে তাকে পিছনের লেজ ধরে টেনে ধরা। যাতে করে সামনে আগানো যায়। আমি আমার লক্ষ্যে অটুট। কখনো পিছপা হব না ইনশাআল্লাহ ।আপনাদের দোয়া ভালোবাসাই আমি সামনের দিকে এগোতে চাই।

সরাসরি আমাদের ওয়েব সাইটে প্রবেশ করতে এখানে ক্লিক করুন

আরো জানুনঃ-

উদীয়মান কণ্ঠশিল্পী শ্রাবন্তী সায়ন্তনীর একান্ত সাক্ষাৎকার
উদীয়মান কণ্ঠশিল্পী শ্রাবন্তী সায়ন্তনীর একান্ত সাক্ষাৎকার

শ্রাবনী সায়ন্তনী” বর্তমান সময়ের একজন জনপ্রিয় ও উদীয়মান কণ্ঠশিল্পী। ইতিমধ্যেই গানের মাধ্যমে জায়গা করে নিয়েছে হাজারো মানুষের মনে। সময়ের সাথে সাথে তার অগ্রযাত্রা পথ সুগম হচ্ছে। প্রথম মৌলিক গান বৈশাখ এলোরে শিরোনামে এরপর একাধিক গান রিলিজ হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে ডেইলি সিলেট ২৪ ডটকম কে মোবাইল ফোনে এ কথা বলে জানিয়েছেন বিস্তারিত।

প্রশ্নঃ কেমন আছেন আপনি?

শ্রাবনী সায়ন্তনীঃ ভালো আছি। আপনি কেমন আছেন?

ডেইলি সিলেট ২৪ ডটকমঃ ভালো আছি। কী করছেন এখন?

শ্রাবনী সায়ন্তনীঃ এইতো ফ্যামিলির সাথে আছি।

প্রশ্নঃ গানের পথ চলা কিভাবে?

শ্রাবনী সায়ন্তনীঃ আমার সংগীতের শুরু হারমোনিয়াম শিখার মাধ্যমে আর হাতেখড়ি হয়েছিল আব্বুর মাধ্যমে। তবে আমার পরিবারের সকলের থেকে আমি আদর ও ভালোবাসা পাই। আব্বু ভীষণভাবে ইচ্ছে, আমি যেন গান করি। ছোটবেলা থেকেই হারমোনিয়াম বাজিয়ে গান করতাম। তারপর থেকেই আমি গাইতে গাইতে গায়েন হয়েছি।

প্রশ্নঃ আপনার প্রকাশিত অ্যালবামের সংখ্যা কয়টি?

শ্রাবনী সায়ন্তনীঃ আমার মোট দশটি গান রিলিজ হয়েছে। সবার কাছ থেকে উৎসাহ ও প্রশংসিত পেয়েছি।

প্রশ্নঃ আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা বলুন।
শ্রাবনী সায়ন্তনীঃ যত দিন বেঁচে থাকব তত দিন এই গান নিয়েই বেঁচে থাকতে চাই। গান আমার অস্তিত্বে মিশে আছে। গানকে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চেষ্টা করব আজীবন।
প্রশ্নঃ জীবনের জন্য সংগীতের বিশ্লেষণ আপনি কীভাবে করবেন?
শ্রাবনী সায়ন্তনীঃ এই সংগীতই পারে মানুষের দুঃখ, কষ্ট, যন্ত্রণা খানিকটা ভুলিয়ে সুখ দিতে। ঈশ্বরের প্রতি নিবেদিত করতে। তাই জীবনের জন্য সংগীতের কোনো জুড়ি নাই। জীবনই সংগীত, সংগীতই জীবন। বলতে পারেন অসাধারণ এক মৌনতা।
প্রশ্নঃ আপনার ব্যক্তিগত ভাবনা সম্পর্কে বলুন।
শ্রাবনী সায়ন্তনীঃ শুদ্ধ গান গাইতে চাই, শুদ্ধ সংগীত চর্চা করে সবার কাছে পৌঁছতে চাই।

প্রশ্নঃ বর্তমান আলোচিত কণ্ঠশিল্পী নোবেলম্যান সম্পর্কে কিছু বলুন

শ্রাবনী সায়ন্তনীঃ সাম্প্রতিক সময়ে নোবেল ছিলেন আলোচনা-সমালোচনার কেন্দ্রে। এক গান প্রকাশ নিয়ে তিনি যে হইচই বাঁধিয়ে দিয়েছেন তাতে অনেকেই বিরক্ত। সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক বিতর্কিত পোস্ট দিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছেন। তার আচরণ বেয়াদবি পর্যায়ে চলে গেছে। তিনি একজন নবীন শিল্পী হিসেবে এতটা করা উচিত হয়নি। আমরা যারা একেবারে নতুন তাদের জন্য এটা খুবই বাজে অভিজ্ঞতা। ক্যারিয়ারের শুরুতেই যদি এরকম তামাশা আচরণ করে তাহলে সে কখনোই মানুষের মনে জায়গা করে নিতে পারবে না।

প্রশ্নঃ বর্তমান প্রেক্ষাপটে করোনাভাইরাস অনিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতি আপনার জীবনে কতটা প্রভাব ফেলেছে?

শ্রাবনী সায়ন্তনীঃ দেখেন সারা পৃথিবী জুড়ে মহামারী করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। বিপাকে পড়েছে কোটি কোটি মানুষ। প্রত্যেকটি অঙ্গনের মানুষজন ভয়াবহ আতঙ্কের মধ্যে দিন পার করছে। কর্মহীন হয়ে পড়ছে অগণিত মানুষ। আমি মনে করি সকলের জীবনে কমবেশি  সুস্থ হয়ে যাক, মানুষজন কর্মজীবনে ফিরে আসুক।

প্রশ্নঃ সাম্প্রতিক কাজের ব্যাপারে কিছু  বলুন…

শ্রাবনী সায়ন্তনীঃ হাতে অনেক কাজ আছে যেগুলো সমাপ্ত করতে পারছিনা বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কারণে। আশা করি করোনা পরিস্থিতি ঠিক হলে সামনে দর্শকদের আরো ভালো কিছু উপহার দিতে পারবো।

প্রশ্নঃ সামনে কোনো চ্যালেঞ্জ আছে?

শ্রাবনী সায়ন্তনীঃ বর্তমানে গানের কারণে মানুষের প্রচুর ভালোবাসা পাচ্ছি। আমার এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মানুষের ভালোবাসার মূল্য দেওয়া। সবার ভালোবাসা কাজে লাগিয়ে যেন আমি আরো দূর অগ্রসর হতে পারি।

প্রশ্নঃ সঙ্গীত ভুবনে প্রিয় ব্যক্তি

শ্রাবনী সায়ন্তনীঃ আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল স্যার। তিনি আমাদের মাঝে আর নেই। আমার খুব পছন্দের একটা মানুষ। আমার সৌভাগ্য হয়েছিল তার সাথে দেখা করার। তিনি খুব আন্তরিক ছিলেন, সহজে খুব মানুষকে আপন করে নিতেন। তার করা গান আমার গাওয়ার কথা ছিল কিন্তু আমার কপাল মন্দ সেই সুযোগ আর হয়নি আমার। পরপারে ভালো থাকবেন স্যার।

প্রশ্নঃ শ্রোতাদের কিছু বলতে চান?

শ্রাবনী সায়ন্তনীঃ শ্রোতাদের বলতে চাই এখন যেহেতু মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রকোপ চলছে সেহেতু সবাই সাবধানে পথ চলুন, ঘরে থাকার চেষ্টা করুন। যতদিন না পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসছে। সবার জন্য শুভকামনা রইল। সবাই যেন বাংলা গান শোনেন। বেশি বেশি করে বাংলা গান কে ভালবাসুন।

প্রশ্নঃ আপনাকে ধন্যবাদ সময় দেয়ার জন্যে।

শ্রাবনী সায়ন্তনীঃ আপনাকেও ধন্যবাদ।

 

2 মন্তব্য

  1. শিমুল রানার মতো নিচু মানসিকতার লোকজন আলম কে সাপোর্ট করবে এতে বলার কিছু নেই

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে