অভিনয়ের পাশাপাশি গানকে আমি প্রফেশনাল হিসেবে নিতে চাই হিরো আলম

0
1547
হিরো আলম ও তার বউ নুসরাত
ফাইল ছবি

অভিনয়ের পাশাপাশি গানকে আমি প্রফেশনাল হিসেবে নিতে চাই হিরো আলম

হিরো আলম বাংলাদেশের একজন সেলিব্রেটি ।শুধু বাংলাদেশ নয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এখন হিরো আলম কে চিনে। সম্প্রতি তার সাথে কথা হয়েছে ডেইলি সিলেট টোয়েন্টিফোর ডটকমের সাথে। একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমি যেভাবে অভিনয়ের মাধ্যমে সবার মনে জায়গা করে নিয়েছিলাম সেই ভাবেই আমি গানটা কে চর্চা করছি। ইতিমধ্যে আমার অনেক গানই বিভিন্ন কোম্পানিতে গাওয়া হয়েছে এবং আমার পার্সোনাল ইউটিউব চ্যানেল গানগুলো দেওয়া আছে। আমি চাই গানটাকে অভিনয়ের পাশাপাশি করে যেতে।

হিরো আলমের সাথে এই কথাটা বেশ ভালভাবেই যায়। হতদরিদ্র অবস্থা থেকে আজকের এই হিরো আলম শুধু স্বপ্ন দেখেছিলেন বলেই আসতে পেরেছেন।

তাকে বিভিন্ন ভাবে আমরা ট্রল করি, উপহাস করি, তার গ্রাম্য টান নিয়ে হাসাহাসি করি কিন্তু ভাবিনা আমরা একজন মানুষকে কিসের ভিত্তিতে বিচার করছি।

আমর মনে হয় হিরো আলমরা ঠিকই আছে এই আমরাই বিকারগ্রস্থ।

মানুষটা সাহস দেখিয়েছেন সংসদে যাওয়ার, মানুষটা সাহস দেখিয়েছেন প্রতিবাদী হবার। যা কিনা আমাদের অনেক তথা কথিত সুশীলদের মাঝে নেই৷

আমি দেখেছিলা অসংখ্য ট্রল হাসাহাসি নির্বাচনের সময়, সাংবাদিকরা টিভিতে ডেকে এনে তাকে অপমান করছে কেবল মাত্র তিনি নোমিনিশন কিনেছিলেন বলে! এত অপমান এত ট্রল তারপর এই লোক কি সুন্দরভাবেই সব সামলেছেন! তার কাছ থেকে শিখার অনেক কিছুই আছে।

আমি মনে করি একটা ডিগ্রি, আর বইয়ের কয়েকটা পাতা পড়াই শিক্ষিত আর অশিক্ষিত মানুষের মাপকাঠি হতে পারে না।

মানুষ সুশিক্ষিত হয় তার অভিজ্ঞতা থেকে আর জীবন থেকে। আর বই লিখার জন্য জীবনের গল্পই আসল। যার কাছে বলার মত গল্প আছে সে বই লিখতেই পারে আপনি চাইলে পড়বেন না চাইলে নাই। কিন্তু সে লিখতে পারবে না সেটা বলার অধিকার আমার আপনার কারোই নেই।

বিঃদ্রঃ তার কুরুচিপূর্ণ কিছু ইউটিউব ভিডিও আছে যেগুলা গ্রহনযোগ্য নয়। তবু আমরা গঠনমূলক সমালোচনা করেছি কে কবে?

আমরা সবাই হিরো আলমকে নিয়ে ট্রল করি । কিন্তু এটাও ঠিক যে এই ভদ্রলোক কোনো বড়লোক বা জমিদার পরিবার থেকে আসেনি । বহু কষ্টের মধ্যেও তিনি টিকেছিলেন । ওনার জীবনে বেঁচে থাকা এবং আজকের অবস্থানে আসার কথা উনি আমাদেরকে জানাচ্ছেন বই লিখে । তার নিজের কথা জানানোর জন্য তাকে অনেক বড় জ্ঞানী মানুষ হতে হবে এই কথা আমি বিশ্বাস করি না । যারা বলবে তার বই লেখার জ্ঞান নাই তাদেরকে বলবো এই মানুষটার জীবনে বেঁচে থাকার জ্ঞান আছে আর সেইটাই আমাদেরকে তিনি জানাচ্ছেন ।

কোন সহযোগীতা ছাড়া, যার দুবেলা ভাত খাওয়ার পয়সা ছিল না, যে পরিস্কার করে কথা পর্যন্ত বলতে পারে না, চেহারা তো অনেক দূরের কথা,, সম্পুর্ণ নিজের চেষ্টায় এমন সেলিব্রেটি হওয়া — আশ্চর্যের বটে। দারিদ্রে.র কারণে ক্লাস সেভেন এর পর পড়াশুনা করতে পারে নি।

আমার যে জিনিসটা সবচে’ ভালো লেগেছে, হিরো আলাম আজকাল সমাজসেবামূলক কাজ করছেন। যেমন শীত বস্ত্র বিতরণ, গরীরদের টাকা দিয়ে সহায়তা। এমন কাজ বাংলাদেশের অনেক কোটিপতি লোকেও করেনি। শিক্ষনীয়।

গত জাতীয় নির্বাচনে হিরো আলম এম পি – মেম্বার অফ পার্লামেন্ট হওয়ার জন্যে লড়ে হেরেছেন। তার মতে এরকম হার তার জীবনে অনেক এসেছে, বার বার চেষ্টা করেই তিনি আজ এত জনপ্রিয় হয়েছেন। এমন হারে সে মোটেও বিচলিত নয়।

হিরো আলমের উদ্দেশ্যে কিছু কথাঃ-

আমাদের জীবনে সফল হতে গেলে কিছু কিছু কথা আমাদের মন থেকে ঝেড়ে ফেলতে হবে সেই কথাগুলো কি ?

প্রথমেই বলে নেই আপনাকে অতীতের সব ব্যর্থতা অথবা কোন খারাপ কিছু যেটা আপনাকে কোন কাজ করতে গেলে কনফিডেন্ট লেভেল কমিয়ে ফেলে সেগুলো ঝেড়ে ফেলতে হবে ।

দ্বিতীয়ত আপনাকে আপনার কাজের প্রতি ফোকাস রাখতে হবে এবং আপনাকে নিদিষ্ট একটা দিকে ফোকাস রাখতে হবে ।

তৃতীয়ত আপনার হোর্টার্সরা কি বলল অথবা অন্য কেউ কি বলল বা কি বাজে মন্তব্য করল এদিকে কখনই নজর দিবেন না সয়ং আমাদের নবীরও হের্টার্স ছিল।

চতুর্থত আপনার সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস রাখুন দেখবেন অনেক জটিল বিষয় অনেক সহজ হয়ে গেছে ।

পঞ্চমত অবশ্যই সৎ থাকবেন মানুষে উপকার করবেন আপনার জায়গা থেকে।

আরো পড়ুনঃ

“হিরো আলম” বর্তমান সময়ের একজন জনপ্রিয় অভিনেতা। ইতিমধ্যেই অভিনয়  জায়গা করে নিয়েছে হাজারো মানুষের মনে। সময়ের সাথে সাথে তার অগ্রযাত্রা পথ সুগম হচ্ছে।

সাম্প্রতিক সময়ে ডেইলি সিলেট ২৪ ডটকম কে মোবাইল ফোনে এ কথা বলে জানিয়েছেন বিস্তারিত।

গতবছর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত হয়েছিলো আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের জীবনী বিষয়ক গ্রন্থ ‘দৃষ্টিভঙ্গি বদলান আমরা সমাজকে বদলে দেবো।’

হিরো আলমের লেখা বইটি অনলাইন বিপণন প্রতিষ্ঠান রকমারি ডটকমে পাওয়া যাবে।

বইটির প্রকাশক ও সম্পাদনাকারী সৌরভ আলম সাবিদ বলেন, হিরো আলমের জীবন থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়ার মতো অনেক বিষয় রয়েছে, যা এই বইয়ে উঠে এসেছে। এটি পুরোপুরি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ নয়, বইয়ের অনেকাংশই উদ্দীপনামূলক। পাঠকের নিকট এটি সমাদৃত হবে।

এ বিষয়ে আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম বলেন, ‘আমার বইটি কেউ কিনবে নাকি না কিনবে সেটা বড় কথা না। তবে আমি সকলকে অনুরোধ করব বইটি একবার হলেও পড়া উচিত, না কিনলেও অন্তত খুলে পড়ে দেখবেন। আমাকে নিয়ে সবাই অনেক হাসি ঠাট্টা করেন ট্রল করেন কিন্তু পর্দার ওপারে হিরো আলমকে কয়জন চেনেন?’

তিনি বলেন,  আমার জীবনটা কতটুকু কষ্টের মধ্যে পার হয়েছে এবং কতটুকু পরিশ্রমের মাধ্যমে আমি হিরো আলম হয়েছি সেটা শুধু আমি জানি। আমার পর্দার পেছনের ঘটনাগুলো জানলে হয়ত আপনারা আমাকে নিয়ে ট্রল করতেন না, বরং আমাকে উৎসাহ দিতেন। যাই হোক এখনো সময় আছে আপনারা যদি দৃষ্টিভঙ্গি না বদলান তাহলে আমাদের সমাজ এবং দেশ কখনোই বদলাবে না। আমি হিরো আলম হয়ত মারা যাবো কিন্তু আমার লেখা বইটি থেকে যাবে এবং একদিন না একদিন আমার এই লেখাগুলো আপনাদেরকে কাঁদাবে কথা দিলাম।’

প্রশ্নঃ বর্তমান সময়ে আপনি অনেক সমালোচিতও আলোচিত এর প্রভাব আপনার বাস্তব জীবনে কেমন পড়ছে?

আরও পড়ুন সর্বাধিক পঠিত

তামিমা নাসির উল্টো মামলা করবেন রাকিবের বিরুদ্ধে 

কেবিন ক্রু তামিমা সুলতানা তাম্মির সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া ক্রিকেটার নাসির হোসেন সম্প্রতি সৃষ্ট হওয়া বিয়ে বিতর্কে তামিমার আগের স্বামী রাকিবের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

আজ বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে, বনানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তামিমা ও নাসির একথা জানিয়েছেন। এসময় তাদের আইনজীবীও উপস্থিত ছিলেন।

এসময় ২০১৭ সালে আগের স্বামী  রাকিবকে ডিভোর্স দিয়েছেন জানিয়ে তামিমা বলেন, বিয়ে আর সন্তান থাকা ছাড়া বাকি সব অভিযোগ মিথ্যে। রাকিবকে তালাক দিয়েই নাসিরকে বিয়ে করেছি।

সংবাদ সম্মেলনে তাদের পক্ষে আইনজীবী তালাকনামার কপি উপস্থিত সাংবাদিকদের হস্তান্তর করেন। এবং তাদের লিখিত বক্তব্যের কপিও দেন। এসময় আইনজীবি বলেন, আদালতে তারা সব প্রমাণাদি উপস্থিত করবেন। তারা গণমাধ্যমে মামলার খবর শুনেছেন, এখনো কোনো নোটিশ পাননি।

ভিডিওটি নিচে দেওয়া আছে

নাসির -তামিমা :তামিমার মেয়ে তার বাবাকে সতর্ক করে দিলেন যেন সাবধানে থাকে (রেকর্ড সহ) ভিডিও

সম্প্রতি ক্রিকেটার নাসির অন্যজনের স্ত্রী বিয়ে করেন। এটা নিয়ে তুমুল সমালোচনা বলছে সর্বত্র। তামিমা নামের একজন বিবাহিত মহিলাকে বিয়ে করে সমালোচনার শিকার হন ক্রিকেটার নাসির তামিমার এটা নিয়ে তৃতীয় স্বামী নাসির। তামিমার স্বামী রাকিব দাবি করেন সংবাদ মাধ্যমের কাছে রাকিব হাসান দাবি করেন, ‘আইনগতভাবে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়নি এখনও। তার আগেই নাসিরের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন তামিমা।’ রাকিব এরই মধ্যে জিডির কপি এবং তাদের কাবিন নামার কপি সংবাদ মাধ্যমের কাছে সরবরাহ করেছেন।

নাসির-তামিমার বিয়ের আনন্দের রেশে কাটতে না কাটতেই দৃশ্যপটে এসে হাজির হলেন তামিমার প্রথম স্বামী রাকিব। এরই মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে নাসির এবং রাকিবের কথোপকথনের একটি অডিও ক্লিপ। ওই কথোপকথন থেকেই তামিমার প্রথম বিয়ের সত্যতা মেলে। নাসিরও স্বীকার করেন, সবকিছু জেনেই তামিমাকে বিয়ে করেছেন।

আরো পড়ুন সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশে আলোচিত হিরো আলম (বিস্তারিত)

হিরো আলম বাংলাদেশের একজন সেলিব্রেটি। একনামে তাকে সবাই চেনে, তার সম্পর্কে জানে। দেশের আনাচে-কানাচে এমন কেউ নেই যে খুঁজে পাওয়া দায় যে তাকে চেনে না। তিনি সর্বত্র আলোচনা ও সমালোচনার পাত্র।

এই তো বললাম বাংলাদেশের কথা। সম্প্রতি বিদেশি একটি চ্যানেলে তাকে নিয়ে প্রতিবেদন করেছেন। যেখানে ফুটে উঠেছে তার জীবনকাহিনী। শুধু এই কাহিনী নয় বিগত বছরগুলোতে দেখা গেছে, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কারণে আলোচনার শীর্ষে ছিলেন হিরো আলম।  পার্শ্ববর্তী দেশ ইন্ডিয়া ও কলকাতা একনামে হিরো আলম কে চেনেন। ওদের সাথে তার একটা ভালো সম্পর্কও আছে হিরো আলমের। বাংলাদেশ অনেক সমালোচিত হিরো আলম এক কথায় বলা যায় তার কদর নেই নিজের দেশের মাটিতে। কিন্তু দেশ থেকে বিদেশের মাটিতে তার আলাদা একটা মর্যাদা আছে। ঠিক কী কারণে বাংলাদেশের অবস্থান এরকম তা সঠিক জানা নেই। তারপরে সবাই যে তার বিপক্ষে তা নয় অবশ্যই তার অনেক ভক্ত অনুরাগী আছে। প্রায়ই দেখা যায় তার ভক্তরা তার সাথে দেখা করে কুশলাদি বিনিময় করছে।

প্রসঙ্গত, হিরো আলম বগুড়ার ছেলে।প্রথম দিকে চানাচুর বিক্রি করতেন। তারপর সিডি ক্যাসেটের দোকান দেয়। এরপর ডিশ (ক্যাবল) ব্যবসা সাথে জড়িত হয়। পাশাপাশি তিনি বাংলা ছবির গান গলা মিলিয়ে কাজ করতেন সখের বসে। এরপর তাকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি। সেই থেকেই সর্বোচ্চ আলোচনায়। গত বছর জরিপ করে দেখা গেছে প্রথম সারির গুগল সার্চে বাংলাদেশের সেলিব্রেটি সর্বপ্রথমে ছিল। অনেক সেলিব্রেটিদের পেছনে ফেলে একটা সময় মহাভারতের বিশাল মাপের নায়ক সালমান খান ও শাহরুখ খান কে পিছনে সবচেয়ে উপরের সারিতে ছিল হিরো আলমের নাম।
আরো পড়ুনঃ

এবার গুজব নয় সত্যিই এটিএম শামসুজ্জামান আর নেই

না ফেরার দেশে চলে গেলেন বরেণ্য অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান। সূত্রাপুরের নিজ বাড়িতে শেষ মৃত্যুবরণ করেন তিনি। ডেইলি সিলেট নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার মেয়ে কোয়েল আহমেদ।

শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ০৬ মিনিটে কান্নাজড়িত কণ্ঠে কোয়েল আহমেদ বলেন, আমার বাবার পৃথিবীতে নেই। শুক্রবার বিকেলে আব্বাকে বাসায় নিয়ে আসছিলাম। উনি হাসপাতালে থাকতে রাজি ছিল না তাই বাসায় নিয়ে আসছিলাম। আমি রাত ২টা ৩০ মিনিটে আব্বার বাসায় আসছি।’
অভিনেতা কখন মারা গেছেন জানতে চাইলে ‘জানি না’ বলেই আবারও অঝোরে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তার মেয়ে। বাবার আত্মার শান্তির জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন কোয়েল।

এর আগে গত বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে পুরান ঢাকার আজগর আলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল এটিএম শামসুজ্জামানকে। তার অক্সিজেন লেভেল কমে গিয়েছিল। হাসপাতালে ডা. আতাউর রহমান খানের তত্ত্বাবধানে ছিলেন জনপ্রিয় এ অভিনেতা।
১৯৬৫ সালে অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র আগমন হয় এটিএম শামসুজ্জামানের। ১৯৭৬ সালে চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমণি’ সিনেমায় খল চরিত্রে অভিনয় করে আলোচনায় আসেন তিনি। প্রবীণ এ অভিনেতা আজও দর্শকের কাছে নন্দিত।

আরো পড়ুনঃ

হিরো আলম হলেন প্রচন্ড আত্মবিশ্বাসী, হার না মানা, স্বঘোষিত নায়ক

যিনি নায়ক হওয়ার স্বপ্ন লালন করেছেন এবং নায়ক হওয়ার জন্য নূন্যতম যোগ্যতা না থাকার পরে ও নিজের খরচে শর্ট ফ্লিম বানিয়ে ইউটিউব সেলিব্রেটি হয়েছেন।

সে একজন সফল মানুষ। কে বা কারা ট্রল- মজা করল, হাসি ঠাট্টায় তাকে অবহেলা করল তাতে কিছুই তার আসে যায় না। সব বাধা অতিক্রম করে সে জীবনে যা হতে চেয়েছে হয়েছে।

আলোচিত সংবাদ

ক্রিকেটার নাসির সং নাসিরের আইনজীবী তামিমার পূর্বের স্বামী রাকিবকে হুমকি দিয়েছেন (ভিডিও সহ)

বিয়ের পর মামলার হেনস্তার শিকার ক্রিকেটার নাসির হোসেন। এদিকে নাসিরের  আইনজীবী কঠোর হুমকি দিয়েছেন , তিনি সংবাদ সম্মেলনে নাসির তামিমের সাথে উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গে তামিমার পূর্বের স্বামী রাকিবকে আইনের কাঠগড়ায় দার করানোর হুমকি দিয়েছেন এবং রাকিবকে দেখে নেবেন।

নাসিরের স্ত্রীর আগের স্বামী মামলা করার পর বুধবার সংবাদ সম্মেলনে এসে এই হুঁশিয়ারি দেন নাসির ও।

সম্মেলন স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মি ছিলেন নাসিরের সঙ্গে; তাদের এক আইনজীবীও ছিলেন উপস্থিত।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি একটি বিদেশি এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু তামিমার সঙ্গে বিয়ে হয় জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক সদস্য নাসিরের।

ভিডিওটি নিচে দেওয়া আছে

এরপরই তামিমার সাবেক স্বামী রাকিব হাসান দাবি করেন, তার সঙ্গে আইনিভাবে বিচ্ছেদ না ঘটিয়েই বিয়ে করেছেন তামিমা। বুধবার তিনি মামলার আরজি নিয়ে যান আদালতে। নাসির ও রাকিবের ফোনে কথোপকথন একটি রেকর্ড ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সেখানে সেই ভাইরাল হওয়া কোথায় জনসম্মুখে ছড়িয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে নাসির বলেন, “আইনি প্রক্রিয়ায় তা মোকাবেলা করবো অবশ্যই। রাকিব সাহেব যেভাবে কথাবার্তা বলছেন

“সে তো আগে তামিমা ছিল; এখন আমার ওয়াইফ। ওকে বলা মানে আমাকে বলা। রাকিব সাহেব কেন অন্য যে কোনো মানুষই হোক, আমার ওয়াইফকে নিয়ে কোনো ধরনের বাজে মন্তব্য করলে তার বিরুদ্ধে অ্যাকশন নেব এবং তা আইনগতভাবেই।”

নানা কারণে জাতীয় ক্রিকেট দলে থিতু হতে না পারা অলরাউন্ডার নাসিরের বিয়ের পর রাকিবের অভিযোগ নিয়ে তোলপাড় সর্বোচ্চ সোশ্যাল মিডিয়ায়।

নাসির মনে করেন, রাকিব সোশাল মিডিয়ায় মানুষের সহানুভূতি আদায়ের অপচেষ্টা করেছেন।

“আমরা একদম ক্লিয়ার, লুকানোর কিছু নেই। এত নাটক করার কিছু নেই। ফেইসবুকে এসে বাচ্চাকে নিয়ে ইমোশনাল বিষয় নিয়ে সিমপ্যাথি পাওয়ার চেষ্টা করা, এসব কীসের দরকার। সে মামলা করুক। আমরা কেস হ্যান্ডল করার জন্য প্রস্তুত।”

নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে যে মামলা রাকিব করেছেন, তা গ্রহণ করে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

আদালতে যাওয়ার আগে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেন রাকিব।

ক্রিকেটার নাসির ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা তদন্ত করবে পিবিআই

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নাসিরের আইনজীবী বলেন, “গণমাধ্যমে জানতে পেরেছি মামলা হয়েছে। কী বিষয়ে, এ সংক্রান্ত কাগজপত্র হাতে আসেনি আমাদের। এ ব্যাপারে মন্তব্য করা দুরূহ। যদি মামলা হয়ে থাকে নাসির ও তার স্ত্রীকে বিবাদী করা হয়ে থাকে, তাহলে আদালতে যথাসাধ্য বক্তব্য আমরা পেশ করব।”

ভিডিওটি নিচে দেওয়া আছে

আদালতে দেওয়া আর্জিতে রাকিব বলেন, তামিমার সঙ্গে তার বিয়ে হয় ২০১১ সালের ২৬ লফেব্রুয়ারি। তাদের ৮ বছরের একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে তামিমা সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আগের স্বামীর অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, “উনি (রাকিব) যতগুলো কথা বলেছেন, এরমধ্যে দুইটা জিনিস ছাড়া (আমাদের বিয়ে হয়েছিল ও আমাদের একটা বাচ্চা রয়েছে) বাকি সব কথা মিথ্যা। এর প্রত্যেকটি প্রমাণ আমাদের রয়েছে।

স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মিকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে নাসির হোসেন।
স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মিকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে নাসির হোসেন।

তিনি বলেন, রাকিবকে তালাক দিয়েই নাসিরের সঙ্গে ঘর বেঁধেছেন তিনি। আমি কোনো ভুল করিনি। আমি যা করেছি সঠিক করেছি এটা আমার একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার।

তাদেরকে হেনস্তা করার জন্য রাকিব এসব করেছেন বলে মন্তব্য করেন তামিমা।

নাসির বলেন, “বিয়ে হয়েছিল, বাচ্চা ছিল। ডিভোর্স হয়েছে। পেপার দেখে আমরা বিয়ে করেছি। আমরা যা করেছি, লিগ্যাল ওয়েতে করেছি, ইল্লিগ্যাল কিছু করিনি। আমরা যাই করেছি, সেটা আইনগতভাবে ও ইসলামী শরীয়ত মেনে করেছি। সবাইকে জানিয়ে বিয়ে করেছি।”

বর্তমান পরিস্থিতি তামিমার জন্য ‘অস্বস্তিকর’ উল্লেক করে সোশাল মিডিয়ায় তাকে নিয়ে বাজে মন্তব্য না করার আহ্বান জানিয়েছেন ক্রিকেটার নাসির হোসেন।

“আমাদের দুজনকে যতটুকু প্রভাব ফেলছে, তার চেয়ে বেশি আমাদের ফ্যামিলিকে করছে। আমাকে মানুষ ভালোবাসে, গালাগালিও করে। আমি মেনে নিতে পারি। তামিমা এ কালচারের না। ওর জন্য এটা অনেক বেদনাদায়ক।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে