উত্তপ্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে হেফাজত ইসলামের আটজন নিহত সরাসরি বন্দুক যুদ্ধের (ভিডিও সহ)

0
1734
উত্তপ্ত ব্রহ্মনবারিয়া গুলিতে ৮ জন নিহত
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি উত্তপ্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে হেফাজত ইসলামের আটজন নিহত সরাসরি বন্দুক যুদ্ধের (ভিডিও সহ)

ভিডিওটি সংবাদ এর নিচে দেওয়া আছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার কুমিল্লা–সিলেট মহাসড়কের নন্দনপুর এলাকায় পুলিশ–বিজিবির সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের সংঘর্ষে আটজন নিহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। গত শনিবার বিকেল পাঁচটার দিকে এ ঘটনা ঘটে ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে। এ ছাড়া শহরের কান্দিরপাড়া এলাকায় ছাত্রলীগ ও মাদ্রাসাছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষের পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২ মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে প্রাথমিকভাবে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরকে কেন্দ্র্র করে উপ্তত্ত হয়ে উঠা ব্রাহ্মণবাড়িয়া এখন থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১০ প্লাটুন বর্ডার গার্ড (বিজিবি) মোতায়ন করা হয়েছে। মোদির সফরের প্রতিবাদে গতকাল শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় শহরের প্রধান সড়ক টিএ রোডে মাদ্রাসার ছাত্ররা ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু করে। এসময় তারা প্রধান সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়। মুহূর্তের মধ্যে শহরের দোকানপাট বন্ধ হয়ে পড়ে। বিক্ষুব্ধরা সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে টায়ারে আগুন লাগিয়ে

বিক্ষোভ করতে থাকে। পরে বিক্ষুব্ধরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে রেল স্টেশনে গিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। রেল স্টেশনের সিগন্যাল, মাস্টার রুম, কন্ট্রোল রুমসহ অন্য কর্মকর্তাদের কক্ষ ব্যাপক ভাঙচুর করে। সব মালামাল একত্রিত করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। রেল লাইনের সিপার তুলে ফেলে বিক্ষুব্ধরা। সিগন্যাল বক্স ভেঙে আগুন ধরিয়ে দেয়। এর ফলে ঢাকার সাথে সিলেট ও চট্টগ্রামের সাথে সব ধরনের ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। ঢাকাগামী কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ট্রেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনে প্রবেশ করার সময় বিক্ষুব্ধরা পাথর নিক্ষেপ করলে ট্রেনটি ফিরে যায়। জেলা পরিষদ কার্যালয়ে বিকাল সোয়া ৫টায় ব্যাপক হামলা চালানো হয়। শহরের কাউতলী, ভাদুঘরে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। সড়কে আগুন ধরিয়ে রাস্তায় অবরোধ করা হয়। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিশ্বরোড, কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সুহিলপুর, নন্দনপুর, মজলিশপুর, ঘাটুরাসহ বিভিন্ন স্থানে সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়। এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাথে দেশের বিভিন্ন স্থানে দূরপাল্লার সব যানবাহন বন্ধ রয়েছে। শহরের জেলা পরিষদ, পৌর মুক্ত মঞ্চ, পৌর মার্কেটসহ বিভিন্ন স্থানে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ভেঙে ফেলে। স্বাধীনতা সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে আলোকসজ্জা ও সড়ক সজ্জিতকরণ ব্যানার ফেস্টুন ভেঙে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধরা। শহরের বিভিন্ন স্থানে স্থাপন করা সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর করা হয়। বিক্ষুব্ধরা নরেন্দ্র মোদি বিরোধী স্লোগান দেয়। এক সময় বিক্ষুব্ধরা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা জজ এর বাস ভবনের মূল ফটকে হামলা চালায়। পরবর্তীতে বিক্ষুব্ধ প্রায় ৫ শতাধিক লোক জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে গ্যারেজে থাকা গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয় ভবনের নিচ তলার জানালা। বিকালের দিকে শহরের কাউতলী এলাকার দাতিয়ারা গ্রামের সাগর মিয়ার ছেলে আশিক গুরুতর আহত হয়, তাকে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসারত অবস্থায় মৃত্যু হয়। পরে বিক্ষুব্ধরা লাশ নিয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়কে বিক্ষোভ শুরু করে। পরে লাশ মাদ্রাসায় নিয়ে যায়। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, এখন পর্যন্ত ২নং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরে আলম, পুলিশ সদস্যসহ ২০ জন আহত হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছিল। সারা শহরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান ডেইলি সিলেট কে বলেন, বুধল ইউনিয়নের নন্দনপুর থেকে তাঁর লোকজন (পুলিশ) কোনোমতে প্রাণে বেঁচে এসেছেন। পুলিশের অনেকে আহত হয়েছেন। নিহতের ঘটনায় বিষয়টি তাঁর জানা নেই।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার বুধল ইউনিয়ন থেকে বিকেল চারটার দিকে হেফাজতে ইসলামের নেতা–কর্মীরা একটি বড় আকারের মিছিল বের করেন। মিছিলটি কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের নন্দনপুর এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে পাল্টাপাল্টি তৎক্ষণাৎ ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় স্থানীয় লোকজনও হেফাজতের মিছিলে যোগ দেন। তাঁরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলেন। পরে বিজিবি ও পুলিশ একের পর এক গুলি ছোড়ে।

গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিদের উদ্ধার করে স্থানীয় লোকজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের চিকিৎসক আবদুল্লাহ আল মামুন তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তাঁরা মারা যান। তাঁরা তিনজনই গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন।
এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছাত্রলীগ ও কওমি মাদ্রাসাছাত্রদের মধ্যে দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। আজ বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে শহরের টিএ রোড এলাকায় এ ঘটনার সূত্রপাত ঘটে। এ সময় সংবাদকর্মীসহ ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন নেতা–কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা যায়।

ভিডিওটি দেখতে লাল চিহ্নিত ক্লিক বাটন এ ক্লিক করুন

পুলিশের সাথে মুসল্লিদের সরাসরি সংঘর্ষ (ভিডিও সহ)

ঢাকা: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ আগমনে বিরোধিতা করে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের বিক্ষোভ মিছিলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় অর্ধশতাধিক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এছাড়াও মিছিলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন ৪০ থেকে ৪৫ জন নেতাকর্মী

পুলিশের সাথে মুসল্লিদের সরাসরি সংঘর্ষ ভিডিওটি পুরো সংবাদের নিচে দেওয়া আছে

মোদির আগমনে বিশ্বের সাত টি শক্তিশালী দেশ এর স্পেশাল ফোর্স নিরাপত্তার কাজে অংশগ্রহণ করছে বিস্তারিত জানুন

মহা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনে সাতক্ষীরায় ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা হয়েছে গোটা সাতক্ষীরা। আগামী ২৭ মার্চ তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের দেবীর ৫১ শক্তিপীঠের মধ্যে অন্যতম পবিত্র একটি শক্তিপীঠ হিসেবে পরিচিত সাতক্ষীরার সুন্দরবন সংলগ্ন শ্যামনগরের ঈশ্বরীপুর যশোরেশ্বরী কালীমন্দির স্থান পরিদর্শন করবেন।

নরেন্দ্র মোদির আগমনী এরইমধ্যে বিশ্বের শক্তিশালী সাতটি দেশ আমেরিকা, ইতালি, উত্তর কোরিয়া, জাপান, এর স্পেশাল ফোর্স সাথে থাকবে বাংলাদেশের প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। জোরদার করা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সব রকম প্রস্তুতি টহল।

ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আগমনে মতুয়া সম্প্রদায়ের তীর্থ স্থান হিসেবে পরিচিত ঈশ্বরীপুর কালীমন্দির সংলগ্ন হিন্দু ও মতুয়া সম্প্রদায়ে চলছে উৎসবের আনন্দধারা।

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার ও জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল জানিয়েছেন, বাঙ্গালি জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শুক্রবার (২৬ মার্চ) বাংলাদেশ সফরে আসবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পরদিন ২৭ মার্চ তিনি হেলিকপ্টার যোগে সাতক্ষীরার শ্যামনগরের রাজা প্রতাপাদিত্যের রাজধানী হিসেবে খ্যাত ধুমঘাট এলাকার ঈশ্বরীপুর যশোরেশ্বরী কালীমন্দির পরিদর্শন করবেন। আর সে কারণেই মন্দির এবং সংলগ্ন এলাকা সাজানো হয়েছে নান্দনিক নৈসর্গিক সাজে।

তিনি আরও জানান, সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে শ্যামনগরের সোবাহান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠের হেলিপ্যাডে বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে অবতরণ করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পরে যশোরেশ্বরী কালীমন্দিরে প্রবেশ করে পূজা অর্চনায় যোগ দেবেন তিনি। ফলে গোটা ঈশ্বরীপুর ও মন্দিরসংলগ্ন এক থেকে দুই কিলোমিটার এলাকার মধ্যে কাউকে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী। নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে ঈশ্বরীপুর-সহ পুরো শ্যামনগর উপজেলা রাস্তাঘাট।

এদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে গত ২৩ মার্চ থেকে গোটা সাতক্ষীরায় নিশ্ছিদ্র বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে আইনঙ্খলা বাহিনী। সাতক্ষীরা শহর থেকে শ্যামনগরের ঈশ্বরীপুর মন্দির পর্যন্ত রাস্তার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি চালাচ্ছে র‌্যাব-৬ এর টহল দল, পুলিশ ও সাদা পোশাকে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

র‌্যাব-৬ সাতক্ষীরা ক্যাম্পের উপ-সহকারী পরিচালক জিয়াউল ইসলাম জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাতক্ষীরা শহর থেকে সুন্দরবন সংলগ্ন শ্যামনগর পর্যন্ত নিরাপত্তা বিশেষ ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। র‌্যাব-৬ সাতক্ষীরার এএসপি বজলুর রশীদের নেতৃত্বে রাস্তার গুরুপূর্ণ স্থানগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তা চেকপোস্ট রোবাস্ট পেট্রোলিং-সহ ও বিশেষ নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে।

সাতক্ষীরা থেকে শ্যামনগর অভিমুখে ৪টি স্থানে বাস, ট্রাক,  প্রাইভেটকারসহ সব ধরনের যানবাহন দাঁড় করিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছে। এবং সন্দেহভাজন সকল ব্যক্তিদের নজরে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

পুলিশের পক্ষ থেকেও শ্যামনগর উপজেলাজুড়ে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও গোয়েন্দা নজরদারি।
এদিকে, বিশ্ববরেণ্য নেতা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বরণ করার অপেক্ষায় শ্যামনগরের মতুয়া ও হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ। উচ্ছসিত সাতক্ষীরাবাসীও।

সাতক্ষীরা শহর থেকে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত শ্যামনগর উপজেলা। আর এই উপজেলা সদর থেকে তিন কিলোমিটার দূরে ঈশ্বরীপুরের অবস্থান। দীর্ঘদিন পরে হলেও মোদির আগমনে একটা আনন্দ-উচ্ছাস দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের অন্যতম স্মৃতিবহুল স্থান ঈশ্বরীপুর মানুষের মধ্যে। নরেন্দ্র মোদির আগমনে ঈশ্বরীপুরের অজপাড়া গাঁ-টি সেঁজেছে নতুন সাজে নতুন রঙ্গে ঢঙে। যেটি এক সময় রাজা-বাদশাদের পদচারণায় মুখরিত ছিল, সেটি এখন শুধুই স্মৃতি। এখানে ছিল যশোরের রাজা প্রতাপাদিত্যের রাজধানী, যার নাম ধুমঘাট।

প্রতাপাদিত্যের রাজধানীতে দীর্ঘকাল কোনও দেশবরেণ্য ও নামিদামি মানুষের পর্দাপণ ঘটেনি। হঠাৎ করেই দেশের গন্ডি পেরিয়ে প্রতিবেশি বন্ধু রাষ্ট্র ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আগমনে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে ঈশ্বরীপুর-সহ ধুমঘাটের পুরো এলাকা।

সনাতনধর্মাবলম্বীদের কাছে ৫১ শক্তিপীঠের মধ্যে অন্যতম পবিত্র একটি শক্তিপীঠ ঈশ্বরীপুর যশোরেশ্বরী মা কালীমন্দির। আর মাত্র একদিন পরেই এই মন্দিরে পূজাঅর্চনায় যোগ দেবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে